বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
লাইফস্টাইল ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : করোনার বিরুদ্ধে লড়তে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই অ্যাপ্রোন তৈরি করছে গ্রামীণ ফেব্রিকস অ্যান্ড ফ্যাশনস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎস সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার পিপিই সরবরাহ করেছে।
প্রধম ধাপে এই সকল পিপিই কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, স্বাস্থ্য বিভাগ, হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, স্যার সলিমুল্লা মেডিক্যাল কলেজ ও মিডফোর্ড হাসপাতাল, খুলনা শিশু হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লি., উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, ডি.এস.কে হাসপাতাল, সুইস কন্টাক্ট বাংলাদেশ, উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল, বি.এম.এ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে।
আরো ৫০ হাজার পিপিই প্রস্তুতির কাজ চলছে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে গ্রামীণ ফ্যাব্রিক্স অ্যান্ড ফ্যাশনস লিমিটেড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রামীণ ফেব্রিকস অ্যান্ড ফ্যাশনস লিমিটেড থেকে ইতিমধ্যে ২০ হাজার পিপিই বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়েছে। আরো ১০ হাজার পিপিই তৈরির কাজ চলমান আছে। এছাড়া যেসব চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সামনে থেকে এবং আইসিইউ-এর দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের সুরক্ষার জন্য উচ্চ গ্রেডের ২০ হাজার পিপিই তৈরির জন্য নির্ধারিত কাপড় ও সিম সিলিং টেপ আমদানির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব কাঁচামাল ১৮ এপ্রিলের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছাবে। গ্রামীণ টেলিকমের আর্থিক সহায়তায় গ্রামীণ ফ্যাব্রিক্স অ্যান্ড ফ্যাশনস লিমিটেড এসব পিপিই উৎপাদন করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকম যে সমস্ত স্বাস্থ্য রক্ষাকারী সামগ্রী এখানে উৎপাদন করতে পারছে না সেগুলো বিদেশ থেকে আনার পদক্ষেপ নিয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে ২ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, ৫০ হাজার এন৯৫ মাস্ক, ৫০ হাজার কেএন৯৫ মাস্ক, ৫০ হাজার হ্যান্ড গ্লাভস ও ১০ হাজার প্রটেকটিভ গগলস তাদের হাতে এসে পৌঁছাবে। এই জরুরি সামগ্রীগুলো দেশের সর্বত্র ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে পৌঁছানোর জন্য গ্রামীণ টেলিকম উদ্যোগ নিয়েছে।
যে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত তাদের কাছে এসব সামগ্রী সরকারী নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করে দেয়া হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছে এসব সামগ্রীর অভাব আছে, তাদের প্রয়োজনের কথা জানিয়ে রাখার জন্য (e-mail: info@grameentelecom.net.bd) গ্রামীণ টেলিকম অনুরোধ জানিয়েছে।
এছাড়া দুস্থ মানুষকে দুইবেলা খাবার সংস্থানের জন্যও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির অধীনে প্রাথমিকভাবে দেশের আড়াই হাজার দুঃস্থ পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই আড়াই হাজার পরিবারকে করোনা দুর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের খাবার অর্থ যোগান দিচ্ছে তিনটি গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান: গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট এবং গ্রামীণ কল্যাণ।
নগরকন্ঠ.কম/এআর